“ডিম আগে না মুরগী আগে?”
সময় হয়তো ফুরিয়ে যাবে তবুও এই  প্রশ্নের উত্তর নিয়ে তর্ক শেষ না হবে।
কেউ যদি বলে,ডিম আগে। অমনেই আরেকজন বলবে, মুরগী আগে। প্রথমজন যুক্তি দিবে, ডিম ছাড়া মুরগীর জন্ম হতে পারে নাহ।আবার দ্বিতীয়জন বলবে, মুরগী ছাড়াও তো ডিম সম্ভব নাহ। এভাবে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে দুইজনেই মেনে নিবে প্রশ্নই হয়তো ঝামেলা আছে। এই প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই।
আসলেই সত্যিই, এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আমাদের প্রশ্নের দিকে একটু ভালোভাবে তাকাতে হবে।
প্রশ্নের আসলে কোনো দোষ নেই, দোষটা আমাদের মস্তিষ্কের। খুব দ্রুত চিন্তা করতে চাওয়া আমাদের মস্তিষ্কের একটা স্বভাব। সে দ্রুত চিন্তা করতে গিয়ে প্রশ্নটা ভালোভাবে খেয়ালই করলো নাহ।  প্রশ্নে যে ডিমের কথা বলা হয়সে, তা কিসের ডিম তা বলা হয়নি। শুধু বলা হয়সে ডিমের কথা। হতে পারে এটা হাঁসের ডিম কিংবা কোনো পাখির কিংবা অন্য কোনো প্রাণীর ডিম। আর আমাদের মস্তিষ্ক ধরে নিল এইটা শুধুই মুরগীর ডিমের কথা বলেছে। আর এখানেই আমরা ভুলটা করলাম।
চলুন আমরা একটু অতীতের কথা চিন্তা করি। অনেক আগের যুগ, সেই জুরাসিক যুগের কথা চিন্তা করি। জুরাসিক যুগে কিন্তু মুরগী ছিল নাহ। মুরগীর আবির্ভাব ঘটে জুরাসিক যুগের বহু পরে। কিন্তু জুরাসিক যুগের প্রাণিরা কিন্তু ঠিকই ডিম দিতো। তাই বলা যায়, জুরাসিক যুগে ডিমের অস্তিত্ব রয়েছে কিন্তু মুরগীর নেই। মুরগীর অস্তিত্ব পাওয়া যায় আরও পরে। অর্থাৎ, এ হতে বলা যায়, সঠিক উত্তর হবে ডিম আগে।